আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগে জামালপুরে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের জনসংযোগ অভিযান শুরু
জামালপুর, পূর্ব বর্ধমান:
আসন্ন আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর ব্লকে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের উদ্যোগে শুরু হলো বিশেষ জনসংযোগ ও প্রচার অভিযান। দলীয় নির্দেশ অনুযায়ী ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলে মহিলা তৃণমূল কর্মী ও নেত্রীরা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বার্তা।
এই উপলক্ষে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে একটি কর্মসূচির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রচার অভিযানের সূচনা করা হয়। উপস্থিত মহিলা কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে এই কর্মসূচি থেকে ব্লকের মোট ১৩টি অঞ্চলে প্রচারের কাজ শুরু করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, ব্লক মহিলা নেত্রী তথা জেলা পরিষদের সদস্য কল্পনা সাঁতরা, জামালপুর ১ নম্বর অঞ্চলের প্রধান ডলি নন্দী সহ বিভিন্ন অঞ্চলের মহিলা নেত্রীরা।
ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খাঁন জানান, রাজ্য তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের নির্দেশেই এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, জামালপুর ব্লকে মহিলা তৃণমূল কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই সংগঠনের বিভিন্ন কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন এবং দলের নানা কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করছেন।
তিনি আরও বলেন, এই প্রচার অভিযানের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কথা। বিশেষ করে মহিলাদের স্বনির্ভরতা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য চালু হওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়েও মানুষকে সচেতন করা হবে।
মহিলা নেত্রীদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ সরকার মহিলাদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে বহু মহিলা আজ আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন এবং সমাজে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শুরু হওয়া এই প্রচার কর্মসূচি আগামী কয়েকদিন ধরে জামালপুর ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় চলবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। মহিলা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন এবং রাজ্য সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেবেন।
দলীয় নেতাদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন মানুষের কাছে সরকারের কাজের কথা পৌঁছে যাবে, অন্যদিকে দলের সংগঠনও আরও শক্তিশালী হবে।