চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বর থানার ডাকমাস্টারদের দীর্ঘ কালব্যাপী তোলা আদায়
চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বর থানায় ডাকমাস্টার হিসেবে চন্দন মাঝি, মধুসূদন মন্ডল এবং ট্রাফিকের মানিক দাস দীর্ঘ ১২ থেকে ১৪ বছর ধরে তোলা আদায়ের কাজ পরিচালনা করছেন। তাদের প্রতি মাসে থানার আইসিদের কাছে আড়াই লক্ষ টাকা জমা দিতে হয়। এসিপি হেডকোয়ার্টার এই বিষয়ে অবগত না থাকলেও পুলিশ লাইনের লাইন বাবু এবং আড়াই সাহেব বিষয়টি জানেন। তারা দাগি ক্রিমিনালদের নিয়োগ দিয়ে দিবা-রাত্রি তোলা আদায় চালিয়ে আসছেন এবং কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।
ভদ্রেশ্বর ও চন্দননগর থানায় চোরাই মাল, অবৈধ গাড়ি ও ড্রাইভারদের কাছ থেকে নিয়মিত মান্থলি নেওয়া হয়। এছাড়া চরস, গাঁজা, আফিম, হিরোইন এবং বাংলাদেশ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের মাধ্যমেও তারা মোটা অংকের টাকা পাচার করেন। এই এলাকায় প্রায় পঞ্চাশটি ক্যাচরা এবং পুরাতন লোহার ডিপো রয়েছে, যেখানে চোরাই মাল বিক্রি হয় এবং ডাকমাস্টাররা তা নিয়ন্ত্রণ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তারা বেআইনি কাজে যুক্ত থাকলেও যেকোনো তদন্ত কিংবা প্রতিকারের ব্যবস্থা হয়নি।