বাংলার নির্বাচনী আবহে স্পষ্ট মতামত তুলে ধরলেন বর্ষীয়ান মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও Social Media Activist- সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে খোলামেলা বার্তা.
নিজস্ব সাংবাদিক: কলকাতা নির্বাচনের আগে সোজাসাপটা "রাজিব সেন"- যুগ্ম সম্পাদক, ভারতীয় মানবাধিকার কাউন্সিল, পশ্চিমবঙ্গ শাখা , শিক্ষা, চাকরি, সততা, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে খোলামেলা বার্তা
বাংলার নির্বাচনী আবহে নিজের স্পষ্ট মতামত তুলে ধরলেন বর্ষীয়ান মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও Social Media Activist- Rajib Sen. সমাজ, রাজনীতি, দুর্নীতি এবং সংস্কৃতি নিয়ে অকপট মন্তব্য করে তিনি জানালেন— ভোট শুধুমাত্র দল দেখে নয়, বরং নিজের পরিবেশ, সমাজ এবং দেশের উন্নতির কথা ভেবেই দেওয়া উচিত। তাঁর মতে, দেশের উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ হলেও তার আগে নিজের “ঘর” বা আশেপাশের পরিবেশ সঠিক থাকা জরুরি।
ভোট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি সম্মুখীন হয়েছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং নারী শক্তির প্রবর্তক বাচপান-খড়দহ স্কুলের "চেয়ারপারসন- শ্রীমতি পিয়ালী কানজিলালের" সম্মুখীন তিনি বলেন, একজন প্রার্থীর সততা এবং বিবেক সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি নয়, একজন মানুষের চরিত্র এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাই তাঁকে যোগ্য প্রার্থী করে তোলে। তিনি মনে করেন, সৎ মানসিকতা ছাড়া রাজনীতি বা সমাজে প্রকৃত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।
নিজেকে রাজনৈতিক মঞ্চে কল্পনা করেন কি না— এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি শিক্ষা, মানবসেবা এবং ভালোবাসার মাধ্যমেই সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে চান। তাঁর বিশ্বাস, শিল্প এবং সংস্কৃতি মানুষের চিন্তা ভাবনায় পরিবর্তন আনতে পারে, যা অনেক সময় রাজনৈতিক বক্তব্যের থেকেও বেশি কার্যকর।
একসময় তাঁর কম্পিউটার শিক্ষাকে “বিত্তবান ও উচ্চশিক্ষা” বলা হয়েছিল। দেশজুড়ে তার সমালোচনা হয়েছিল ৯০ এর দশকে। তবে সেই সমালোচনার সামনে থেমে যাননি ভারত সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী- স্বর্গীয় রাজীব গান্ধী। বরং তিনি নিজের শিল্প সত্তাকে সম্মান দিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন। পিয়ালী কাঞ্জিলালের মতে, শিক্ষার পরিচয় তার কাজেই ফুটে ওঠে এবং সময়ই সব প্রশ্নের উত্তর দেয়।
দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমাজে এই প্রবণতা ছোটবেলা থেকেই নানা ভাবে শেখানো হয়। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষকে নিজের ভুল বুঝতে হবে এবং সৎ পথ বেছে নিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, সমাজের পরিবর্তন বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া যায় না— পরিবর্তন শুরু হয় মানুষের নিজের ভিতর থেকে।
দেশের সংস্কৃতি, উন্নয়ন এবং সমান অধিকারের বিষয়ে তাঁর মত— সবকিছু একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে, যদি সমাজে শান্তি এবং ঐক্য বজায় থাকে। তিনি মনে করেন, শান্তিপূর্ণ সমাজই উন্নয়নের সবচেয়ে বড় ভিত্তি।