২৬ শে বিধানসভা কে সামনে রেখে জনগণের নেতা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মুখ- পার্থ ভৌমিক এখন এক নম্বর স্থানে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা- বামফ্রন্টের ৩৪ বছর সময় কালে জনগণের রাজনীতি যদি কেউ বুঝে থাকেন, তিনি ছিলেন স্বর্গীয় কমরেড সুভাষ চক্রবর্তীর মহাশয়। সময়টা বদলে গেছে আজ তৃণমূলের জামানায় ভালবাসার রাজনীতি কেউ যদি বুঝে থাকেন, জনগণের নেতা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মুখ- পার্থ ভৌমিক এখন এক নম্বর স্থানে। ২৬ শে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে হঠাৎ সংবাদ মাধ্যমে ভেসে উঠেছিল একটি নাম নৈহাটিতে বিধায়ক হতে চলেছেন- পার্থ ভৌমিক ।কিন্তু না! সেটা আর সম্ভব হয়ে উঠল না। তৃণমূলের সম্ভবাময় রাজনীতিতে দিল্লিতে-ই আপাতত স্থান জননেতা পার্থ ভৌমিকের। না কোনো পাইলট এসকর্ট ভ্যান, না বিশেষ নিরাপত্তা বলয়,না বড় কনভয়, তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রার্থী ঘোষনার পর থেকে একজন সাধারণ তৃণমূল কর্মীর মতন ব্যারাকপুর- দমদম লোকসভা অঞ্চল ঘুরে বেড়াচ্ছেন মাননীয় সাংসদ শ্রী পার্থ ভৌমিক,সঙ্গী তার চিরকালীন অনাবিল হাসি আর সাধারণ মানুষ,কর্মী সমর্থকদের তাকে ঘিরে আবেগের উচ্ছ্বাস। উল্টোদিকে, আগে পিছে এসকর্ট, এক ডজনের বেশি সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্স, ব্যাক্তিগত প্রাইভেট সিকিউরিটি নিয়ে চলছেন ব্যারাকপুরের বিগত দিনের রাজনৈতিক মুখ অর্জুন সিং মহাশয়, সাথে গুটিকয়েক নব্য বিজেপি কর্মী, যাদের নিজেদের কোনো রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নেই! মালিকের নিশ্চিত নিরাপত্তা ঘেরাটোপে থেকে বাড়ির সফেদ পোশাকে অর্জুন সিং আর পার্থ ভৌমিকের মধ্যে পার্থক্যটা আজ ও দিনের আলোর মতন পরিস্কার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক পার্থ ভৌমিকের শক্তি তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আবেগ আর ভালোবাসার বলয়, পানিহাটি থেকে নৈহাটি পর্যন্ত, যা ভেদ করা অর্জুন সিংয়ের পক্ষে শুধু অসম্ভব নয়, দুঃস্বপ্নও বটে। ২৬শে নির্বাচনী প্রচারের পর আমরা সবাই তাকিয়ে পরিবর্তন এর দিকে। কার কত হিম্মত সবটাই আজ প্রকাশ্যে......দুর্নীতির শীর্ষে থাকা রাজনৈতিক নেতারা যদি ২৬শে এর বিধানসভা নির্বাচনে জিতে ফিরতে পারে, তাহলে আগামী ৩৪ বছরেও দিদিকে হেলালো অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। তাই সবার চোখ ২৬শে, ৪ঠা মে..