
মেদিনীপুরের মেলায় রেকর্ড লক্ষ্মীলাভ, মাত্র ১০ দিনে প্রায় ১৯ কোটি বিক্রি!মেদিনীপুরের সৃষ্টিশ্রী মেলায় রেকর্ড লক্ষ্মীলাভ। গত দুই বছরের আয়কেও ছাপিয়ে গেল
মেদিনীপুরের মেলায় রেকর্ড লক্ষ্মীলাভ, মাত্র ১০ দিনে প্রায় ১৯ কোটি বিক্রি!
মেদিনীপুরের সৃষ্টিশ্রী মেলায় রেকর্ড লক্ষ্মীলাভ। গত দুই বছরের আয়কেও ছাপিয়ে গেল চলতি বছরের মেলা। মেলার শেষ দিনে এমনটাই জানানো হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে।২০২৪ সালে মোট বিক্রিবাটার পরিমাণ আড়াই কোটি টাকা। তারপরের বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালে মোট বিক্রি হয় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার। সেখানেই চলতি বছরে বিক্রি হয়েছে ১৮ কোটি ৫১ লক্ষ টাকার।১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় মেলা। তা চলে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর স্মৃতি মন্দির প্রাঙ্গণে তৃতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছিল সৃষ্টিশ্রী মেলা।পশ্চিম মেদিনীপুর- সহ রাজ্যের ১২টি জেলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা নিজেদের হস্তশিল্পের পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন মেলায়।এ ছাড়াও, কেরালা, রাজস্থান, হরিয়ানা, কাশ্মীর ও তামিলনাড়ু রাজ্যের হস্তশিল্পীরাও এসেছিলেন। মেলায় স্টল ছিল মোট ২২০টি।মেলা উপলক্ষে প্রতিদিন ছিল নামী শিল্পীদের অনুষ্ঠান। মেদিনীপুরের পটশিল্প, মাদুর, পাটজাত দ্রব্য ছাড়াও রকমারি ও কারুকার্য করা শাড়ি, বাঁশের তৈরি জিনিসপত্রের ব্যাপক চাহিদা ছিল।একই সঙ্গে ছিল বিভিন্ন ধরনের গয়নাও। মেলা মানেই খাবারের দোকান থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। রেকর্ড ভিড় দেখা গিয়েছে মেলার খাবারের স্টলগুলিতেও।গত ১০ দিনে মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় জমিয়েছিলেন গড়ে প্রতিদিন ২৫-৩০ হাজার মানুষ। প্রতিদিনই প্রায় দেড়-দু’কোটি টাকার বেচাকেনা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ জানিয়েছেন অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট মিশন ডিরেক্টর গোবিন্দ হালদার।মেলায় যে সমস্ত স্টল থেকে বেশি বিক্রিবাটা হয়েছে, তাদের আলাদা ভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এই বিষয়ে স্টলে থাকা অঞ্জলি পণ্ডিত জানান, মেলার মাঝপথেই তাঁদের মাল শেষ হয়ে গিয়েছিল, পরে আবার নতুন করে আনাতে হয়েছে।