logo
Select Language
Hindi
Bengali
Tamil
Telugu
Marathi
Gujarati
Kannada
Malayalam
Punjabi
Urdu
Oriya

দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ বা মোবাইল স্ক্রিনে নজর? বদলে যেতে পারে বাচ্চার চোখের আকার!

Digital মাধ্যমেই চলছে লেখাপড়া। লেখাপড়া থেকে নাচ, গান, গিটার বা যোগা ক্লাস- সবই অনলাইনে। তার জেরে দিনের অনেকটা সময়ই তাদের কাটছে মোবাইল, ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপে নজর রেখে। যা ভীষণভাবে প্রভাব ফেলছে কচিকাঁচাদের চোখে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন গত বছরই অন্তত ২৫ শতাংশ বেড়েছে বাচ্চাদের চোখের সমস্যা। দীর্ঘক্ষণ চোখে চাপ পড়ায় বদলে যাচ্ছে তাদের চোখের মণির (Eye Ball) আকার। নাকের উপর উঠছে চশমা। এমনকী অনেকেরই দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হচ্ছেl
জানলে উদ্বিগ্ন হবেন,যে চিকিৎসকদের মতে এই সমস্যাও অতিমারীর (Corona Pandemic) আকার ধারণ করতে শুরু করেছে। ১৯৭১ সালের পর মার্কিন মুলুকে এই করোনা আবহে ৪২ শতাংশ বেড়েছে দৃ্ষ্টিশক্তি ক্ষীণ হওয়ার সমস্যা। তবে শুধুই ছোটরা নয়, ভুগছে কিশোর-কিশোরী ও প্রাপ্তবয়স্করাও। এশিয়ার দেশগুলোতেও ৯০ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে চোখের সমস্যা। একটি গবেষণা বলছে, দীর্ঘসময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার পাশাপাশি ক্ষুদ্র আকারে লেখা বই পড়াও এর অন্যতম কারণ। প্রাথমিকভাবে চশমা এই সমস্যা মেটালেও স্ক্রিন টাইমে লাগাম না টানলে অদূর ভবিষ্যতে দৃষ্টিশক্তি হারাতেও হতে পারে। আর শুধুই দৃষ্টিশক্তি কমছে এমনটা নয়, এর ফলে হতে পারে চোখের শিরা শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথার মতো নানা রোগ।
এবার প্রশ্ন হল, কীভাবে সুস্থ রাখবেন বাচ্চার দুটি অমূল্য চোখ।
প্রথমত,
২০-২০ নিয়ম মেনে চলতে পারেন। কীরকম? একটানা স্ক্রিনের সামনে বাচ্চাকে বসে থাকতে দেবেন না। প্রতি ২০ মিনিট পর অন্তত একবার করে বিরতি নিক। সেই সময়টা তাকে স্ক্রিন থেকে অন্তত ২০ ফুট দূরত্বে নিয়ে যান। ২০ সেকেন্ডে ২০ বার পলক ফেলতে বলুন। এতে চোখ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।
দ্বিতীয়ত,
কম্পিউটরের স্ক্রিনের ব্রাইটনেস যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখুন। এতে অতিরিক্ত রশ্মি থেকে রক্ষা পাবে সন্তানের চোখ। মোবাইলের ক্ষেত্রেও তাই। রাতে মোবাইল দেখার প্রয়োজন পড়লে তার নাইট মোডটি অন করে রাখুন।
তৃতীয়ত,
কম্পিউটর ব্যবহার করলে চেষ্টা করুন মনিটরটি তা যতটা দূরে রেখে যেন কাজ করে বাচ্চা। চিকিৎসকরা ছোট স্ক্রিনের বদলে বড় স্ক্রিন ব্যবহারেরই পরামর্শ দিচ্ছেন।
চতুর্থত,
মাঝেমধ্যেই বাচ্চার চোখের রুটিন চেক-আপ করান। মাথা যন্ত্রণা বা চোখে ব্যথা করলে অকারণ ওষুধ না খাইয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অবসর সময়ে চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে বলুন খুদেকে। সম্ভব হলে নিয়মিত সবুজ ঘাস কিংবা গাছগাছালির দিকে তাকিয়ে থাকার সুযোগ করে দিন তাকে।

137
3636 views

Comment