logo
Select Language
Hindi
Bengali
Tamil
Telugu
Marathi
Gujarati
Kannada
Malayalam
Punjabi
Urdu
Oriya

গোবরডাঙার খাঁটুরা চন্ডীতলা জোড়া শিবমন্দিরকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভবনা

গোবরডাঙ্গা, উত্তর চব্বিশ পরগনা:
শিক্ষার সাহিত্য ও সংস্কৃতির শহর গোবরডাঙ্গা। এর অতীত অসংখ্য ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষ্য বহন করে। গত ২০২৩ সালে গোবরডাঙ্গার জমিদার বাড়ি, গোবরডাঙ্গা খাঁটুরা হাই স্কুল সহ বেশ কিছু স্থানকে হেরিটেজ স্থান বলে চিহ্নিত করা হলেও আজ পর্যন্ত এই জায়গাগুলিকে পর্যটন সহায়ক করার ক্ষেত্রে খুব বেশি উদ্যোগ দেখা দেয়নি।

গোবরডাঙ্গা স্টেশনের অদূরে যমুনা নদীর ফেলে আসা ব দ্বীপ কঙ্কনা বাওর এর গায়ে রয়েছে খাটোরা চন্ডীতলা জোড়া শিব মন্দির।
এই মন্দিরের ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ। খাঁটুরার বাসিন্দা সমাজ সংস্কারক, সাহিত্যের অধ্যাপক শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহযোগী। ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পরে শ্রীশচন্দ্র প্রচলিত সংস্কার উপেক্ষা করে ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের বাড়িতে বর্ধমানের বাল্যবিধবা কালীমতীকে বিয়ে করেন। নিজের মায়ের নিষেধও মানেননি তিনি। ওটিই ছিল প্রথম বিধবা বিবাহ। বিবাহবাসরে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রমাপ্রসাদ রায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, কালীপ্রসন্ন সিংহের মতো দিকপালেরা। এলাকার বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক পবিত্র মুখোপাধ্যায় জানান, শ্রীশচন্দ্র তাঁর মায়ের স্মৃতিতে চণ্ডীতলায় জোড়া শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো এই মন্দিরটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই -এমনই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

6
1559 views

Comment