১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে ভারত সরকার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছে। দেশের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে চীনা ভিডিও নজরদারি...
CCTV ক্যামেরা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! 🇮🇳 সরকারের
AI প্রযুক্তির সাথে যোগাযোগ স্থাপনের আগে একটু ভাবুন... যেকোনো সুবিধার পরিপ্রেক্ষিতে বিপদের ঝুঁকিও আছে। ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে ভারত সরকার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছে। দেশের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে চীনা ভিডিও নজরদারি সংস্থাগুলোর ইন্টারনেট-সংযুক্ত CCTV ক্যামেরা বিক্রিতে কড়া নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের আওতায় বিশেষভাবে প্রভাবিত হবে..
👉 Hikvision
👉 Dahua Technology
👉 TP-Link
সরকারের মূল উদ্বেগ—জাতীয় নিরাপত্তা। বিদেশি হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে গুপ্তচরবৃত্তির ঝুঁকি এড়াতেই এই কঠোর পদক্ষেপ।
ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) এখন থেকে সব ইন্টারনেট-সংযুক্ত CCTV ডিভাইসের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে STQC - (Standardisation Testing and Quality Certification) সার্টিফিকেশন, যা IS 13252-1 সাইবার সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী হবে।
📌 নিরাপত্তা যাচাইয়ের মূল পয়েন্টগুলো:
✔️ ক্যামেরার চিপ (SoC) কোন দেশে তৈরি—তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে
✔️ চীনে তৈরি চিপ ব্যবহার করা হলে সার্টিফিকেশন বাতিল হতে পারে
✔️ TLS/HTTPS-এর মাধ্যমে সুরক্ষিত ডাটা ট্রান্সমিশন বাধ্যতামূলক
✔️ নিয়মিত সিকিউরিটি আপডেট (Patch Management) থাকতে হবে
✔️ সব ডিভাইসকে কঠোর ল্যাব টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে
❗ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
যে কোনো কোম্পানি এই নিয়ম মানতে ব্যর্থ হলে তাদের CCTV ক্যামেরা ভারতে বিক্রি বা আমদানি—দুটোই পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। এটি শুধু একটি নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ভারতের সাইবার সিকিউরিটি এবং ডিজিটাল সার্বভৌমত্বকে আরও শক্তিশালী করার একটি বড় পদক্ষেপ ...ভারত সরকারের পাশাপাশি আপনাদের নিজস্ব যুক্তি, চিন্তা-ভাবনা অতি গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন কিছু ক্রয় করা আজকের দিনে বিপদ জনক ঝুঁকি হতে পারে। সংগৃহীত তথ্য।।