logo
Select Language
Hindi
Bengali
Tamil
Telugu
Marathi
Gujarati
Kannada
Malayalam
Punjabi
Urdu
Oriya

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আদর্শকে সামনে রেখে, বিশেষ ছাত্রনেতা হিসেবে এই মুহূর্তে বাংলার পরিচিত মুখ শতরূপ ঘোষ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ১৮ ই মার্চ ২০২৬- বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আদর্শকে সামনে রেখে, বিশেষ ছাত্রনেতা হিসেবে এই মুহূর্তে বাংলার পরিচিত মুখ শতরূপ ঘোষ। একসময় যার পরিচিতি ছিল, কসবার লড়াকু বামপন্থী কর্মী হিসেবে। শতরূপ ঘোষ এক কথায় সুশিক্ষিত, তথ্য ভিত্তিক ভালো বক্তা। বর্তমান অনেক রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতা কে—বিশেষ করে দুর্নীতিগ্রস্ত, অন্যান্য দুরারোগ্য সামাজিক ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের—চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠানিক টিভি শোতে নিজের বক্তব্যের মাধ্যমে সুস্থ করতে সাহায্য করেছেন, সেটা হয়তো সবারই জানা। কিন্তু আমার কিছুটা হলেও অজানা যে বিষয়টা, এই মুহূর্তে সকলেই দৃষ্টিপাত করেছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে বিধানসভার প্রার্থী টিকিট নিয়ে মারামারি এবং বিতর্ক সৃষ্টি হচ্ছে, সেই মুহূর্তে কমরেড শতরূপ ঘোষ বিনা দ্বিধায় নিজের প্রাপ্ত টিকিটটি নিঃস্বার্থ ভাবে সমর্পণ করলেন দলীয় কাজে। বিগত দিনে যে কাজটা করেছেন কমরেড বিমান বসু। উনার বক্তব্যে বিভিন্ন সময় উঠে এসেছে পার্টিতে খারাপ লোক যেমন আছে, ভালো লোক থাকবেই এবং আমার দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত, সেই মানুষটির দিকে যার মধ্যে আদর্শ আছে, তাই উনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে স্বর্গীয় কমরেড বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং কমরেড বিমান বসুর কথাই বলে এসেছেন।

নিজের সীমিত ক্ষমতার মধ্যেও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক বক্তব্য রেখে, সাধারণ মানুষের বর্তমান চাহিদা বোঝার চেষ্টা করেছেন। আমার অভিজ্ঞতা— বর্তমান রাজনৈতিক টানাপোড়নের মধ্যেও যে সুশিক্ষিত বক্তব্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের পরিচয় উনি বিগত দিনে দেখিয়েছেন, তার জন্য আগামী দিনে রাজনৈতিক শিক্ষা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।

সময়টা ২০২৬ রাজ্যের অন্যতম সক্রিয় ও সফল রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে শতরূপ ঘোষের নাম বহু প্রচলিত এবং সংবাদের শিরোনামে বারবার উঠে আসছে। ঠিক সেই সময়েই, তার সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে এক নেতা ও তার পুরো টিম চক্রান্ত শুরু করলো। তার ব্যক্তিগত পারিবারিক অর্থে কেনা ২২ লক্ষ টাকার গাড়িকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ছড়িয়ে দেয়া হলো দেশজুড়ে।

শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত জীবনকে কেচ্ছা বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে, একজন সৎ রাজনৈতিক ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা ছাড়া আর খুব বেশি কিছু করতে পারেনি চক্রান্তকারীরা।

কিন্তু লড়াই থামেনি…
বাকিটা এখন ইতিহাস।

রাজনীতিতে এটা যেন স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। সৌজন্য বোধ প্রায় উঠেই গেছে। অশিক্ষা বারবার প্রলয়ের মতো ধেয়ে আসছে রাজনীতির বুকে।
বামপন্থী ভরাডুবিতে শতরূপ ঘোষের রাজনৈতিক কেরিয়ার যখন তুঙ্গে। সেই সময় 2026 এর বিধানসভা কে পাখির চোখ করে নিজের পার্থি পদটি নির্বিধায় সমর্পণ করলেন এবং প্রত্যেক প্রার্থীর মুখ হলেন শতরূপ ঘোষ।

বামফ্রন্টের ছাত্র সংগঠনকে মজবুত করার কাজ। আরও পরে বিভিন্ন প্রার্থীর হয়ে রাজনৈতিক লড়াই জারি থাকবে ২০২৬ এর বিধানসভা কে কেন্দ্র করে।

তারই হয়তো পুরস্কার এবারে বিধানসভার বামপন্থের একনিষ্ঠ প্রার্থী সকলের মুখ শতরূপ ঘোষ।

এই ধরনের শিক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আগামী দিনে হয়তো সাধারণ মানুষের এবং রাজ্যের কথা নিঃস্বার্থ ভাবে প্রকাশ করবেন দেশের মানুষের কাছে। আমরা আশা রাখি বর্তমান রাজনৈতিক লজ্জাকে কর্ণপাত না করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, সাধারণ মানুষের পাশে থেকেই উনি ওনার রাজনৈতিক জীবন শেষ করবেন আগামী দিনে।

আগামী বিধানসভা কে পাখির চোখ রেখে এবার বামপন্থার মনোনীত বিধানসভা কেন্দ্রের সব প্রার্থীকে শতরূপ কোষ তার রাজনৈতিক বক্তব্যে জয়ী করিয়ে আনবেন।

এই লেখা পড়ে অনেকে হয়তো ট্রল করবেন। কেউ বলবেন আমিও ব্যক্তি কেন্দ্রিক চর্চা করছি, কেউ বলবেন রাজনৈতিক বক্তব্য লিখছি। বলতেই পারেন—মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে। সমালোচনা থাকবে, পছন্দ-অপছন্দও থাকবে। কিন্তু বাস্তবকে অস্বীকার করা যায় না।মানবিকতার দিক তো আছে সঙ্গে যেটা আছে সেটা অসম্ভব ব্যক্তি কেন্দ্রিক পড়াশুনা। এইরকম শিক্ষিত নেতার বড্ড প্রয়োজন এই জ্বরাগ্রস্ত রাজনীতির সময়ে।

এই মানুষগুলোর ব্যাক্তিজীবন নিয়ে কাটাছেঁড়া না করে, যে কারনে তাঁদের মানুষ চেনে সেই কারনটাকেই সামনে রাখা উচিত। ভাল-কে ভাল বলতেই হবে... তাতে যদি কেউ রাজনৈতিক সমালোচনা বলে অসুবিধা নেই।
শতরূপ ঘোষ
Satarup Ghosh
@followers

1
406 views

Comment